Indian Visa Details

কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক: আমরা যারা দেশের বাইরে যাই, তাদের অনেকেরই প্রথম পছন্দ থাকে ভারতে ভ্রমণ। প্রতিবেশী দেশ, তাছাড়া অন্যান্য দেশের তুলনায় সস্তায় যাওয়া আসা করা যায় বলে এই দেশের প্রতি অনেকেরই আগ্রহ আছে। কিন্তু ভারতীয় ভিসা নেবার সময় হয়ে যায় নানা রকম সমস্যা। সঠিকভাবে ডকুমেন্ট জমা না দেবার কারণে অনেক সময়ই ভিসা রিজেক্ট হয়ে থাকে। আবার অনেক সময় দেখা যায়, সব ডকুমেন্ট ঠিকভাবে দেয়া থাকলেও সঠিক ভাবে সাজিয়ে দেয়া হয়নি বলে সমস্যা হয়ে গেছে। ইন্ডিয়ান ভিসা ফি সর্ব সাকুল্যে ৯০০.০০ টাকা লাগবে। তবে ভিসা ফি আপনাকে অনলাইনের মাধ্যমে প্রদান করিতে হইবে। UCash এর মাধ্যমে ভিসা ফি জমা করতে পারেন। টাকা দেয়ার সময় অবশ্যই আপনার ফর্মটি সাথে করে নিয়ে যাবেন, যে এজেন্টের মাধ্যমে টাকা জমা দিবেন তার কাছে ফর্মটি দিতে হবে। টাকা জমা হলে ফর্মে প্রদর্শিত নাম্বারটি একটি বার্তা দেয়া হবে সেখানে আপনাকে যাওয়ার সময় কিংবা তারিখ উল্লেখ করে দিবে। তবে মনে রাখবেন.. ফর্ম পূরণ করার দিন থেকে ৩ (তিন) পর্যন্ত আপনার এর ভেলিডেশন বা সময়সীমা থাকবে, তিনদিন এর বেশি হলে আপনার টাকা এবং ফর্ম দুইই বাতিল হবে। সেক্ষেত্রে আপনাকে আবার নতুন করে করতে হবে। ভিসা অফিসের ঠিকানা সমূহ:

এবার আসুন, দেখে নেয়া যাক কি কি ডকুমেন্ট লাগবে এবং কিভাবে সেগুলো সাজাবেন আপনি জমা দেবার সময়।
১. অনলাইনে পূরণ করা ভিসা আবেদন এর প্রিন্ট কপি।
২. জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি / জন্ম নিবন্ধন এর ফটোকপি।
৩. বিদ্যুৎ/গ্যাস/পানি/টেলিফোন যেকোন একটা বিল এর স্পষ্ট কপি। কপি স্পষ্ট না হলে আসল কপিটি সাথে রাখতে হবে মিলিয়ে দেখাবার জন্য।
৪. ডলার এনডোর্সমেন্ট এর কপি / ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর এর কপি / ক্রেডিট কার্ড বা ট্রাভেল কার্ড উভয় পৃষ্ঠার কপি (কার্ডের শুরুর বা শেষের কিছু নাম্বার মুছে দেবেন, সিভিসি নম্বরও মুছে দেবেন ফটোকপি থেকে।)
৫. ব্যবসায়ীদের জন্য ট্রেড লাইসেন্স / এন ও সি চাকুরীজীবিদের জন্য / স্টুডেন্টদের জন্য প্রতিষ্ঠানের আইডি কার্ড এবং এন ও সি।
৬. নিশ্চিত টিকিটের ফটোকপি, আসলটি পাসপোর্টের সাথে সংযুক্ত করতে হবে। (যাদের জন্য প্রযোজ্য।)
৭. ভারতীয় ভিসা আবেদনকারীর পাসপোর্টের ফটোকপি।
৮. নিজের সাথে সাথে পরিবারের অন্য কারও ভিসার আবেদন জমা দিতে প্রত্যেক ভিসার আবেদন এর সাথে নিজের পাসপোর্টের ফটোকপি যোগ করতে হবে।
৯. সকল পুরাতন পাসপোর্ট সাথে রাখতে হবে, যদি দেখতে চাওয়া হয় এই কারণে।




এবারে আসুন এই ডকুমেন্টগুলো সাজিয়ে নেয়া যাক-
*ভারতীয় ভিসার আবেদন পত্র অনলাইনে পুরণ করে প্রিন্ট করে নিন। খেয়াল করুন সবার নিচে বারকোড অংশটি ঠিকভাবে প্রিন্ট হয়েছে কী না।
*ভিসার আবেদনে অবশ্যই অনলাইনে আপলোড করা ছবি থাকতে হবে।
* ভিসার আবেদনে দুই জায়গায় স্বাক্ষর করা হয়েছে কিনা নিশ্চিত হয়ে নিন।
* জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি/জন্ম নিবন্ধন এর কপি।
*বিদ্যুৎ/গ্যাস/পানি/টেলিফোন বিল এর স্পষ্ট কপি। কপি স্পষ্ট না হলে আসল কপিটি সাথে রাখতে হবে মিলিয়ে দেখাবার জন্য।
*ডলার এনডোর্সমেন্ট এর কপি / ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর কপি / ক্রেডিট কার্ড বা ট্রাভেল কার্ড দুপাশ এর কপি।
*ট্রেড লাইসেন্স / এন ও সি / স্টুডেন্টদের জন্য আইডি কার্ড এর কপি।
* নিশ্চিত টিকিটের ফটোকপি, আসলটি পাসপোর্টের পেছনের কভার পাতার সাথে সংযুক্ত করতে হবে স্টেপল করে।
* ভিসা আবেদনকারীর পাসপোর্টের ফটোকপি।
* পরিবারের অন্য কারও হয়ে ভিসার আবেদন জমা দিতে একই সাথে নিজের পাসপোর্টের কপিও দিতে হবে।
সঠিকভাবে না সাজিয়ে দিলে আপনার আবেদন বাতিল হতে পারে এবং আপনি যে ফি জমা দিয়েছেন তা ফেরত পাবেন না। সুতরাং ভারতীয় ভিসা আবেদনে জমা দেবার সময় একটু খেয়াল করতে হবে আপনার সব ডকুমেন্ট সঠিকভাবে সংযুক্ত করা হয়েছে কিনা।

ভিসা সম্বন্ধে সম্পূর্ণ বর্নণা নিম্নে প্রদান করা হল:
সকল কাগজপত্রের মেইন কপি নিয়ে যাবেন, ওরা দেখতে চাইবে। না দেখাতে পারলে জমা নাও নিতে পারে। কাগজগুলো স্ট্যাপল করার দরকার নেই, ওরা বলে স্ট্যাপল করা থাকলে খুলে ফেলতে। আপনি চাইলে একটা ফাইলে সব নিতে পারেন।

এখানে শুধুমাত্র ট্যুরিস্ট ভিসার জন্য যেসব ডকুমেন্ট লাগে তা উল্লেখ করা হয়েছে। মেডিক্যাল, ট্রানজিট ও ব্যাবসা ভিসার জন্য প্রধান সব ডকুমেন্ট একই তবে আলাদা আলাদা কিছু ডকুমেন্ট লাগে এই লিংকে ক্লিক করে বিস্তারিত পড়ুন:

১. ভারতীয় ভিসার আবেদন ফরম প্রস্তুত করা
আবেদন ফর্ম পুরন করার আগে আপনার এই অফিসিয়াল নির্দেশনাগুলো পড়া উচিৎ। আবেদনপত্র পুরন করার আগে আপনার ছবির একটা সফট কপি লাগবে যেটা আপনাকে একেবারে শেষ ধাপে আপলোড করতে হবে। তাই আগে থেকেই রেডি রাখুন। ওদের মতে ”ডিজিটাল ছবি ও একটি রঙ্গীন ছবি (উভয় ছবিই একই হতে হবে এবং তিন মাসের কম সময়ের মধ্যে তোলা হতে হবে।” আর কোথায় কি তথ্য দিয়ে ফর্ম পুরন করতে হবে তা দেখুন IVAC প্রদত্ত এই ফাইলটিতে।

এখন ইন্ডিয়ান ভিসা ফরম পুরন করতে যান চলে এই লিংক https://indianvisa-bangladesh.nic.in/visa/index.html তারপর ‘Online Visa Application‘ লিংকে ক্লিক করে তথ্য পুরন করা শুরু করুন।

উপরের স্যাম্পল ফাইল দেখলেই বুঝবেন কি কি তথ্য কোথায় দিতে হবে। শুধু যেখানে ইন্ডিয়ার কোন রেফারেন্স চাইবে সেখানে যেকোন হোটেলের নাম ঠিকানা, টেলিফোন দিলেই হবে। গুগল ম্যাপে সার্চ দিলেই অনেক হোটেলের নাম পাবেন। একি ভাবে শেষের দিকে ভারতে কোন হোটেলে থাকবেন সেইরকম হোটেলের নাম চাইবে, সেখানেও সেইম হোটেলের নাম, ঠিকানা, টেলিফোন দিন।

ভিসা ডিটেলস
আপনি কি ভিসা চাচ্ছেন, কত মাসের জন্য, এন্ট্রি সংখ্যা তা নিজেকে নির্ধারণ করতে হবে।

আপনাকে একেবারে প্রথম দিকেই ‘Visa Type’ সিলেক্ট করতে হবে। আপনি যেহেতু টুরিস্ট হিসেবে যাচ্ছেন সেহেতু ‘TOURIST VISA’ সিলেক্ট করুন।

কত মাসের ভিসা চাচ্ছেন এখানে আপনি ৩, ৬, ১২ আপনার যেটা দরকার সেটা দিতে পারেন। তবে ১২ দেয়াই ভাল, কেননা ওরা চাইলে ১২ বদলে ৬ মাস দিতে পারে। কিন্তু আপনি ৩ মাস চাইলে তো আর ওরা ৬ মাস দিবে না।

No of Entries অপশনে আপনি কতবার ভারতে প্রবেশ করতে চান সেটা দিবেন। আপনি SINGLE অথবা MULTIPLE যেতা দরকার দিতে পারেন। তবে ভিসার মেয়াদের মাঝে একাধিকবার যেতে চাইলে MULTIPLE দিবেন।

তবে এখন আপনি যে কোন পোর্ট দিয়্সেই প্রবেশ করতে পারবেন এখন আর কোন ধরাবাধা নেই।
সবার শেষে ছবি আপলোড করে ফর্মটি প্রিন্ট করে নিন।
এখন এক কপি ২x২ ইঞ্চি মাপের ওই একই ছবির একটি ছবি আঠা দিয়ে লাগিয়ে নিন।
এখন ছবির ঠিক নিচের বক্সে ও ২য় পেইজের নিচে ডান দিকে পাসপোর্টের মত স্বাক্ষর করুন।
ব্যাস হয়ে গেল ফর্ম রেডি।

মনে রাখবেন
ফর্ম পুরন শুরু করার পর ওরা একটা Temporary ID দিবে। এইটা সেইভ করে রাখুন। কারন কোন কারণে সার্ভারে সমস্যা থাকলে বা আপনি বাকি অংশ পরে পুরন করতে চাইলে এই লিংকে গিয়ে ‘Complete Partially Filled
Form’ এ ক্লিক করে Temporary ID ও ক্যাপচা দিয়ে আবার আগের জায়গা থেকে শুরু করতে পারেবেন।
ফর্ম সম্পুর্ন পুরন হয়ে গেলে আর নিজে এডিট করতে পারবেন না। তবে আবেদন কেন্দ্রে গেলে ওরা ঠিক করে দিবে, কিন্তু ফি ৩০০ টাকা।
ফর্ম পুরন করার পর ৩ দিনের মাঝে জমা দিতে হবে, না হলে এক্সপায়ার হয়ে যাবে।
জরুরি তথ্যগুলো সতর্কতার সাথে, পাসপোর্ট দেখে পুরন করুন। যেমন নামের বানান, জন্ম তারিখ, পাসপোর্ট নাম্বার ও অন্যান্য তথ্য।
প্রয়োজনীয় কি কি কাগজ পত্র দরকার তা উপরের অংশেই দেখতে পাবেন।…

ব্যাংক স্টেটমেন্ট অথবা ডলার এনডোর্সমেন্ট
আর্থিক স্বচ্ছলতার প্রমাণের জন্য ব্যাংক স্টেটমেন্ট অথবা ডলার এনডোর্সমেন্ট লাগবে।
ব্যাংক স্টেটমেন্টঃ একাউন্টে কমপক্ষে ২০,০০০ টাকা রেখে গত ছয় মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট নিন। অনলাইন কপি হলে হবে না, ব্যংকে সিল ও স্বাক্ষর থাকতে হবে। আর ভিসা আবেদন শেষ না হওয়া পর্যন্ত ব্যালেন্স বজায় রাখুন। ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর ফটোকপি না দিয়ে, মেইন কপিই দিয়ে দিতে পারেন। আপনার নিজের ব্যাংক স্টেটমেন্ট না থাকলে আপনি আপনার বাবা-মায়ের ব্যাংক স্টেটমেন্টও ব্যাবহার করতে পারেন।

ডলার এনডোর্সমেন্টঃ এখন থেকে মানি এক্সচেঞ্জ এর ডলার এনডোর্সমেন্ট IVAC গ্রহণ করে না। তাই আপনাকে কোন তফসিলি ব্যাংক মানে সরকারি, বেসরকারি যেকোন ব্যাংক থেকে ১৫০ ডলার এনডোর্স করতে হবে। তবে আপনি ২০০ করাতে পারেন। আর অবশ্যই এনডোর্সমেন্ট এর পেপার এর কপি জমা দিতে হবে, শুধু পাসপোর্টে এনডোর্স করালে হবে না। এনডোর্সমেন্ট এর পেপার বর্ডারে লাগতে পারে তাই কপি বা মেইন কপিি সংরক্ষণ করুন।

ক্রেডিট কার্ডঃ আপনার যদি আন্তর্জাতিক ডেবিট অথবা ক্রেডিট কার্ড থাকে তাহলে, এর জন্যও ব্যাংক থেকে এনডোর্সমেন্টের কপি নিয়ে জমা দিতে হবে। মেইন কপি সাথে রাখুন। ওরা সম্ভবত এটাকে yearly endorsement বলে।

ভিসা আবেদন জমা দেয়া
ভিসা ফি জমা দেয়া হয়ে গেলে এখন আপনাকে ভিসা আবেদন কোন Indian Visa Application Center (IVAC) বা ‘ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র (আইভ্যাক)’ – এ জমা দিতে হবে। কেন্দ্রভেদে আপনার ট্যুরিস্ট ভিসার জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট বা ইটোকেন লাগতে পারে। তবে এখন অনেক কেন্দ্রেই অ্যাপয়েন্টমেন্ট বা ইটোকেন লাগে না। আপনি আগে নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনি যে কেন্দ্রে জমা দিবেন সেখানে অ্যাপয়েন্টমেন্ট লাগবে কিনা। আমি দিয়েছিলাম ঢাকার শ্যামলীতে অবস্থিত কেন্দ্রে। এই কেন্দ্রে কোন অ্যাপয়েন্টমেন্ট বা ইটোকেন লাগে না, সব কিছু রেডি করে একদিন গেলেই হয়। তবে এখানে প্রচুর ভীড় থাকে। আমি একদিন সকাল ৮ টায় গিয়ে লাইনে দাড়িয়েছিলাম। এর পর পুরো কাজ শেষ করে বেড়িয়ে আসতে পেরেছিলাম ১ঃ১৫ এর দিকে। তাহলে বুজতেই পারছেন কি অবস্থা। কিন্তু এইদিন আমার ছবিতে সমস্যার কারণে জমা নেয় নি। ওই ম্যডাম বললেন, এত এঙ্গেলে তোলা ছবির জন্য আমি জমা নেব না। যদিও খুব সমস্যা ছিল না, কারন এপ্রিলে আমার ভাইয়ের ছবি এর চেয়ে এঙ্গেল ছিল। যাইহোক আপনারা স্টুডিও থেকে ভাল করে ছবি তুলবেন। এরপর আমি রবিবার গিয়েছি আরো সকালে, প্রার ৭ঃ৩০ টার দিকে। আজ একটু আগে যাবার কারণে ১০ মাঝেই জমা দিয়ে ফেরত আসতে পেরেছিলাম। তাই আপনারাও আগে যাবার চেষ্টা করুন।

প্রথমে লাইন ধরে দাড়াতে হবে, এর পর গেটের কাছাকাছি গেলে ওরা আগে থেকেই প্রিন্ট করা সিরিয়াল টোকেন দিবে যেটা নিয়ে আপনাকে ভেতরের রুমে গিয়ে বসতে হবে। এখানে গেলেই দেখবেন ওদের টোকেন-ডিস্প্লে নষ্ট বা কাজ করে না। ওরা মুখে মুখে সিরিয়াল ডাকবে। তাই মনযোগ দিয়ে শুনবেন, একবার মিস করলে আবার টকেন নিতে হবে, এতে অনেক পিছনে পোরে যাবেন শুধু শুধু। এর মাঝে ওরা জোরে জোরে বলবে যে কিভাবে আবেদনপত্রের সব কাগজগুলো সাজাবেন। এরপর আপনার সিরিয়াল আসলে কাউন্টারে গেলে একজন এক্সিকিউটিভ সব চেক করবেন, আপনার সব ডকুমেন্টের মুল কপি দেখতে চাইবেন। তবে হাতে আগে থেকেই নিয়ে রাখলে দেখতে চায় না, না থাকলে চায়। আপনি কি করেন, ব্যংক স্টেটমেন্ট কার, কেন ইন্ডিয়া যাবেন এই টাইপের কিছু প্রশ্ন করতে পারে। এরপর সব ঠিক থাকলে আপনাকে একটা রশিদে স্বাক্ষর করে, আরেকটা রশিদ দেয়া হবে। এই রশিদ দিয়ে পাসপোর্ট ফেরত নিতে হবে। তাই যত্ন করে রাখুন।

এই শ্যামলী ভিসা আবেদন কেন্দ্রের কিছু বিষয়.
এই কেন্দ্রে ট্যুরিস্ট ভিসার জন্য কোন অ্যাপয়েন্টমেন্ট বা ই-টোকেন লাগে না।
ভিসা আবেদন সকাল ৮ঃ৩০ থেকে ১২ঃ৩০ পর্যন্ত নেয়া হয়। ১২ঃ৩০ এর পর আর কাউকে ঢুকতে দেয় না, এর মাঝে যার ঢুকবে তাদের আবেদন নিবে।
দালালরা বলবে টাকার বিনিময়ে আগে ঢুকিয়ে দিবে। আপনি দালালদের কথা শুনবেন না, কারন আমরাই কিন্তু এদের সার্ভিস নিয়ে পুরো সিস্টেম পঙ্গু করেছি। শুধু আজ একটু সময় বাচাতে গিয়ে একটা অনিয়ম করবেন না। তাই একটু অপেক্ষা করুন সবাই নিয়মমত জমা দিন। দেখুন কেউ দালাল না ধরলে কিন্তু আপনিও আগে যে পারবেন।
ভিতরে ফটোকপির ব্যবস্থা আছে। প্রতি পেইজ ৪ টাকা
কফির ব্যবস্থা আছে, ২৫ টাকা প্রতি কাপ।
খাবার পানির ব্যবস্থা আছে (ওয়ান টাইম গ্লাসসহ)।
ভেতরে ফোনে কথাবলা নিষেধ, তবে ইন্টারনেট ব্রাউজিং, হেডফোনে গান শুনতে পারেন। প্রধান কথা ভেতরে ফোনে কথা বলবেন না।
ব্যাগ নিয়ে ভেতরে ঢোকা যাবে না। তবে ঢোকার আগে ২০ টাকা দিয়ে ব্যাগ জমা রেখে যেতে পারেন। ওরা একটা টোকেন দিবে।
মহিলাদের জন্য লাইন ছোট, তাই তারা সহজেই ভিতরে ঢুকতে পারে।
৬৫ বছরের উর্ধের ‘Senior Citizen’ দের কোন লাইনে দাড়াতে হবে না, আর তাদের জন্য আলাদা কাউন্টারও আছে।
এখানে এখন শুধু টুরিস্ট ভিসা আবেদন জমা নেয়া হয়।
কেউ তার পরিবারের সদস্যদের আবেদন একসাথে জমা দিতে পারেন। যেমন কেউ তার স্ত্রী-সন্তান, ও বাবা-মা’র আবেদন নিজে জমা দিতে পারবেন। আবার কোন মহিলা, তার স্বামী ও সন্তানদের আবেদন জমা দিতে পারবেন। এজন্য যে জমা দিবে তার নিজের পাসপোর্টের কপি সব আবেদনপত্রের সাথে জমা দিতে হবে।

শ্যামলী ভিসা আবেদন কেন্দ্রের ঠিকানা
আইভিএসি, মিরপুর রোড, ঢাকা
আলামিন আপন হাইটস ২৭/১ / বি (১ ম তলা) শ্যামলী,
(শ্যামলী সিনেমা হলের বিপরীতে)
মিরপুর রোড, ঢাকা ১২০৭
Hot Line: 09612 333 666, 09614 333 666
E-mail: info@ivacbd.com
(শ্যামলী মোড়ের একটু সামনেই)
গুগলে ম্যাপে দেখুন

Select your currency
USD United States (US) dollar
X